সরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন শুরু | এসএমএস এবং অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরী ছাড়া জেলা ও বিভাগীয় সদরের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন শুরু । ১৩ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)'র নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, বিদ্যালয় থেকে কোনো ভর্তি ফরম বিতরণ করা হবে না। www.gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য http://www.gsa.teletalk.com.bd/app/misc/GSA_ADD.pdf

ভর্তীচ্ছুদের টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন ফি ১৫০ টাকা প্রদান করতে হবে। 

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে লটারির মাধ্যমে। 
দ্বিতীয় শ্রেণিতে বাংলা ১৫ নম্বর, ইংরেজি ১৫ নম্বর ও গণিত ২০ নম্বরের মোট ৫০ নম্বরের ১ ঘণ্টার পরীক্ষা নেওয়া হবে। চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ৩০ নম্বর, ইংরেজি ৩০ নম্বর ও গণিত ৪০ নম্বরের মোট ১০০ নম্বরের ২ ঘণ্টার পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে। 

নবম শ্রেণিতে জেএসসি ও জেডিসি’র ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। 

যেভাবে আবেদন করতে হবে : অনলাইনে আবেদনপত্র সাবমিট করার পর অভিভাবকরা একটি ইউজার আইডি পাবেন। এ আইডি ব্যবহার করে যেকোনো টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর হতে এসএমএসে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে। ইউজার আইডিপ্রাপ্তদের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। এ জন্য দুটি এসএমএস করতে হবে আবেদনকারীকে। প্রথম এসএমসে GSA স্পেস Yes  স্পেস (ইউজার আইডি) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে নামসহ একটি পিন নম্বর পাওয়া যাবে, যা ব্যবহার করে দ্বিতীয় এসএমএস করতে হবে। দ্বিতীয় এসএমএসে GSA  স্পেস Yes স্পেস পিন নম্বর (প্রথম এসএমএস হতে প্রাপ্ত) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। সফলভাবে আবেদন ও আবেদন ফি প্রদান সম্পন্ন হলে দ্বিতীয় এসএমএসে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে www.gsa.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইট হতে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

১-ডিসেম্বর-সরকারি-স্কুলে-ভর্তির-আবেদন-শুরু


অনলাইনে আবেদন শুরু কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   
৩০ নভেম্বর, ২০১৫ ০০:০০


অনলাইনে আবেদন শুরু কাল
রাজধানীর সরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে। ১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। এবারের ভর্তিপ্রক্রিয়ায়ি www.gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে ঢুকে আবেদন করতে হবে। প্রতিটি আবেদনের জন্য টেলিটক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ১৫০ টাকা ফি দিতে হবে। ইতিমধ্যে রাজধানীর ৩৫টি সরকারি স্কুলকে তিনটি ভাগে ভাগ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়াও ঘোষণা করা হয়েছে। একজন শিক্ষার্থী একটি ভাগে শুধু একটি স্কুল থেকে আবেদন করতে পারবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রাজধানীর ৩৫টি স্কুলের মধ্যে মাত্র ১৪টিতে প্রথম শ্রেণি রয়েছে। তাতে শূন্য আসনসংখ্যা ১৭৫০টি। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত হবে ২৬ ডিসেম্বর। স্কুলগুলোয় দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘এ’ গ্রুপের লিখিত পরীক্ষা ১৭ ডিসেম্বর, ‘বি’ গ্রুপের লিখিত পরীক্ষা ১৮ ডিসেম্বর এবং ‘সি’ গ্রুপের লিখিত পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। এবারই প্রথম স্কুলগুলোকে ৪০ শতাংশ ‘এলাকা কোটা’ সংরক্ষণ করতে হবে। ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে ক্যাচমেন্ট এরিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আবেদনের সময় এলাকা কোটার বিষয়ে অপশন থাকবে। আর ভর্তির সময় ক্যাচমেন্ট এরিয়ার বিষয়ে প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। এ জন্য অভিভাবকদের আইডি কার্ড, ইউটিলিটি বিল অথবা ভাড়াটিয়া হলে বাড়ির মালিক কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। তবে প্রমাণপত্র অসত্য হলে কোনোভাবেই ভর্তি করা হবে না।
যেভাবে আবেদন করতে হবে : অনলাইনে আবেদনপত্র সাবমিট করার পর অভিভাবকরা একটি ইউজার আইডি পাবেন। এ আইডি ব্যবহার করে যেকোনো টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর হতে এসএমএসে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে। ইউজার আইডিপ্রাপ্তদের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। এ জন্য দুটি এসএমএস করতে হবে আবেদনকারীকে। প্রথম এসএমসে GSA স্পেস Yes  স্পেস (ইউজার আইডি) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে নামসহ একটি পিন নম্বর পাওয়া যাবে, যা ব্যবহার করে দ্বিতীয় এসএমএস করতে হবে। দ্বিতীয় এসএমএসে GSA  স্পেস Yes স্পেস পিন নম্বর (প্রথম এসএমএস হতে প্রাপ্ত) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। সফলভাবে আবেদন ও আবেদন ফি প্রদান সম্পন্ন হলে দ্বিতীয় এসএমএসে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে www.gsa.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইট হতে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2015/11/30/296289#sthash.Yd9B7BOW.dpuf

অনলাইনে আবেদন শুরু কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   
৩০ নভেম্বর, ২০১৫ ০০:০০


অনলাইনে আবেদন শুরু কাল
রাজধানীর সরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে। ১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। এবারের ভর্তিপ্রক্রিয়ায়ি www.gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে ঢুকে আবেদন করতে হবে। প্রতিটি আবেদনের জন্য টেলিটক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ১৫০ টাকা ফি দিতে হবে। ইতিমধ্যে রাজধানীর ৩৫টি সরকারি স্কুলকে তিনটি ভাগে ভাগ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়াও ঘোষণা করা হয়েছে। একজন শিক্ষার্থী একটি ভাগে শুধু একটি স্কুল থেকে আবেদন করতে পারবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রাজধানীর ৩৫টি স্কুলের মধ্যে মাত্র ১৪টিতে প্রথম শ্রেণি রয়েছে। তাতে শূন্য আসনসংখ্যা ১৭৫০টি। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত হবে ২৬ ডিসেম্বর। স্কুলগুলোয় দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘এ’ গ্রুপের লিখিত পরীক্ষা ১৭ ডিসেম্বর, ‘বি’ গ্রুপের লিখিত পরীক্ষা ১৮ ডিসেম্বর এবং ‘সি’ গ্রুপের লিখিত পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। এবারই প্রথম স্কুলগুলোকে ৪০ শতাংশ ‘এলাকা কোটা’ সংরক্ষণ করতে হবে। ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে ক্যাচমেন্ট এরিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আবেদনের সময় এলাকা কোটার বিষয়ে অপশন থাকবে। আর ভর্তির সময় ক্যাচমেন্ট এরিয়ার বিষয়ে প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। এ জন্য অভিভাবকদের আইডি কার্ড, ইউটিলিটি বিল অথবা ভাড়াটিয়া হলে বাড়ির মালিক কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। তবে প্রমাণপত্র অসত্য হলে কোনোভাবেই ভর্তি করা হবে না।
যেভাবে আবেদন করতে হবে : অনলাইনে আবেদনপত্র সাবমিট করার পর অভিভাবকরা একটি ইউজার আইডি পাবেন। এ আইডি ব্যবহার করে যেকোনো টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর হতে এসএমএসে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে। ইউজার আইডিপ্রাপ্তদের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। এ জন্য দুটি এসএমএস করতে হবে আবেদনকারীকে। প্রথম এসএমসে GSA স্পেস Yes  স্পেস (ইউজার আইডি) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে নামসহ একটি পিন নম্বর পাওয়া যাবে, যা ব্যবহার করে দ্বিতীয় এসএমএস করতে হবে। দ্বিতীয় এসএমএসে GSA  স্পেস Yes স্পেস পিন নম্বর (প্রথম এসএমএস হতে প্রাপ্ত) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। সফলভাবে আবেদন ও আবেদন ফি প্রদান সম্পন্ন হলে দ্বিতীয় এসএমএসে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে www.gsa.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইট হতে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2015/11/30/296289#sthash.Yd9B7BOW.dpu
রাজধানীর সরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে। ১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। এবারের ভর্তিপ্রক্রিয়ায়ি www.gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে ঢুকে আবেদন করতে হবে। প্রতিটি আবেদনের জন্য টেলিটক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ১৫০ টাকা ফি দিতে হবে। ইতিমধ্যে রাজধানীর ৩৫টি সরকারি স্কুলকে তিনটি ভাগে ভাগ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়াও ঘোষণা করা হয়েছে। একজন শিক্ষার্থী একটি ভাগে শুধু একটি স্কুল থেকে আবেদন করতে পারবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রাজধানীর ৩৫টি স্কুলের মধ্যে মাত্র ১৪টিতে প্রথম শ্রেণি রয়েছে। তাতে শূন্য আসনসংখ্যা ১৭৫০টি। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত হবে ২৬ ডিসেম্বর। স্কুলগুলোয় দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘এ’ গ্রুপের লিখিত পরীক্ষা ১৭ ডিসেম্বর, ‘বি’ গ্রুপের লিখিত পরীক্ষা ১৮ ডিসেম্বর এবং ‘সি’ গ্রুপের লিখিত পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। এবারই প্রথম স্কুলগুলোকে ৪০ শতাংশ ‘এলাকা কোটা’ সংরক্ষণ করতে হবে। ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে ক্যাচমেন্ট এরিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আবেদনের সময় এলাকা কোটার বিষয়ে অপশন থাকবে। আর ভর্তির সময় ক্যাচমেন্ট এরিয়ার বিষয়ে প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। এ জন্য অভিভাবকদের আইডি কার্ড, ইউটিলিটি বিল অথবা ভাড়াটিয়া হলে বাড়ির মালিক কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। তবে প্রমাণপত্র অসত্য হলে কোনোভাবেই ভর্তি করা হবে না।

চট্টগ্রামে সরকারী স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা ২৪ডিসেম্বর
সরকারি স্কুলগুলোতে ১৯ তারিখের পরিবর্তে আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ভর্তিযুদ্ধ। একবারই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এই প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৩ ডিসেম্বর অনলাইন থেকে এডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।
জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার ভর্তি সংক্রান্ত কমিটির সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন, সহকারি কমিশনার (শিক্ষা) শারমিন আখতার, প্রাথমিক জেলা শিক্ষাকর্মকর্তা নাসরিন সুলতানাসহ মহানগরের ৯টি স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা।
এর আগে গত ৪ নভেম্বর জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আগামী ১৯,২১ ও ২৩ ডিসেম্বর মহানগরের ৯টি সরকারি স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর রেজাল্ট দেয়া হবে ২৭ ডিসেম্বর। কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত বৈঠকে সিদ্ধান্ত জানানো হয়, ১৯, ২১ ও ২৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে আগামী ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা। এছাড়া ২৭ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ২৯ ডিসেম্বর অনলাইনেই প্রকাশ করা হবে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল।
আগামী ৯, ১০, ১১ ও ১২ ডিসেম্বর কোটা বাছাই এবং ১৩ ডিসেম্বর এডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া আগামী ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।
সভায় আরো জানানো হয়, আগামী ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ৫ম ও ৮ম শ্রেণির ভীর্ত পরীক্ষা। সকাল ১০ থেকে ১২ টা পর্যন্ত ৫ম শ্রেণি এবং দুপুর ১টা থেকে ৩টা অনুষ্ঠিত হবে ৮ম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা।
ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির পরীক্ষা। সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা ৬ষ্ঠ এবং দুপুর ১টা থেকে ৩টা ৭ম শ্রেণির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় উপস্থিত সকল শিক্ষকের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ক্লাস্টার পদ্ধতি বাতিল করা হয়। এই পদ্ধতি থাকলে দু’বার পরীক্ষার সুযোগ পেতো শিক্ষার্থীরা। প্রথম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে বালকদের জন্য ২টি ক্ল্যাস্টার ও বালিকাদের জন্য ২টি ক্ল্যাস্টার করা হয়। কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। অর্থাৎ আগের নিয়মেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একবারই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে পরীক্ষার্থীদের। এবার নগরীর ৯টি সরকারি স্কুলে অনুষ্ঠিতব্য ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণীর ভর্তিযুদ্ধ হবে ৩ হাজার ৫শ ৫৬টি আসনে।
২০১৬ সালের শূন্য আসনের তথ্য
ক্রম
বিদ্যালয়ের নাম
শ্রেণিভিত্তিক শূন্য আসনের তথ্য
৫ম শ্রেণি
৬ষ্ঠ শ্রেণি
৭ম শ্রেণি
৮ম শ্রেণি
৯ম শ্রেণি
০১
কলেজিয়েট স্কুল
৩২০
১৪০
০২
সরকারী মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়
১৬০
১৬০
১০(দিবা)
১৪০
০৩
নাসিরাবাদ সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়
১৬০
১৮০
১০০
১৯০
০৪
ডাঃ খাস্তগীর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
৩২০
০৫
চট্টগ্রাম সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়
২৪০
৮০
০৬
চট্টগ্রাম সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
১৬০
১০০(দিবা)
৬০
(৪০ বাণিজ্য. ২০ বিজ্ঞান)
০৭(ক)
বাকলিয়া সরকারী  উচ্চ বিদ্যালয়(বালক শাখা) 
৮০
১০০
৩০
৪০
৪০
(খ)
বাকলিয়া সরকারী  উচ্চ বিদ্যালয়  (বালিকা শাখা) 
৮০
১৫
১৫
১৫
৪০
০৮
হাজী মুহাম্মদ মহসিন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়
১৬০
৩০
৪০
০৯
সিটি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
২৪০
৭০(দিবা)
৪১(দিবা)
মোট=
১৯২০
৬৫৫
৪৫
১৬৫
৭৭১


গতবার নয় স্কুলে মোট ৩ হাজার ৫৭৪টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৫ম শ্রেণিতে ১ হাজার ৯৬০, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৬৪৭, সপ্তম শ্রেণিতে ১৮৩, অষ্টম শ্রেনিতে ১২৯ এবং নবম শ্রেণিতে ৬৫৫টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে- অনলাইনেই ( জেলাপ্রশাসনের ওয়েবসাইট- ) এ আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের। ভর্তি ফরমের মূল্য রাখা হয়েছে ১৫০ টাকা। ফরম পূরণের সময় সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থী বা অভিভাবকের একটি মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে। যথাযথভাবে ফরম পূরণ সম্পূর্ণ হলে সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বরে একটি এসএমএস (বার্তা) যাবে।
এতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর এপ্লিকেশন আইডি দেয়া থাকবে। এই এপ্লিকেশন আইডি ব্যবহার করে ‘ডাচ বাংলা’ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ‘৩৬৩’ একাউন্ট নম্বরে ফি জমা দিতে হবে। ফি জমাদান নিশ্চিত হলে আর একটি এসএমএস-এর মাধ্যমে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর জানিয়ে দেয়া হবে।
এই রোল নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বর প্রদান করে পরবর্তীতে ওয়েবাসইট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবে শিক্ষার্থীরা । পরীক্ষার একদিন আগে সর্বশেষ আর একটি এসএমএস যাবে পরীক্ষার্থীর মোবাইলে। এতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র এবং কক্ষ নম্বর উল্লেখ করা থাকবে।
এবার থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও নিয়মের কিছুটা পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) মো. দৌলতুজ্জমান খান। তিনি জানান, কে কোন কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে পরীক্ষার আগের রাতেই জানতে পারবেন শিক্ষকরা। তবে কে কোন কক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন শিক্ষকরা তা জানার সুযোগ পাবেন পরীক্ষার এক ঘণ্টা আগে।অনিয়ম রোধ করতে এবং আরো বেশি স্বচ্ছতা আনতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
কোটা প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, এবার যারা কোটা সুবিধায় এপ্লিকেশন করবে তাদের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করে এডমিট কার্ড দেয়া হবে শিক্ষার্থীদের। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনির ক্ষেত্রে ৫%, প্রতিবন্ধীদের ২% এবং ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির মোট আসনের ১০% কোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. দৌলতুজ্জমান খান বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সম্মিলিত মেধাক্রম ও পছন্দক্রম অনুযায়ী নির্ধারিত বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইইেন ফলাফল পাবে শিক্ষার্থীরা। কোন ধরনের অনিয়মের সুযোগ রাখা হবে না।

SHARE THIS

Author:

Previous Post
Next Post