প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ১০৩ জন শিক্ষক নেবে


প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড পরিচালিত বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক ও জুনিয়র শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। আবেদন করা যাবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বিভিন্ন বিষয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পাবে ১৬ জন। এর মধ্যে জীববিজ্ঞান বিষয়ে ২ জন, ব্যবসায় শিক্ষায় ২, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ৪, কৃষিতে ৩, গার্হস্থ্য অর্থনীতিতে ২ ও শরীরচর্চা বিষয়ে নেওয়া হবে ৩ জন। ধর্ম বিষয়ে ৬, শরীরচর্চা বিষয়ে ৩ এবং চারু ও কারুকলা বিষয়ে ১৪ জনসহ জুনিয়র শিক্ষক নিয়োগ পাবেন ৮৭ জন।

আবেদনের/চিঠি পৌঁছানোর শেষ দিন ১৫ ডিসেম্বর,২০১৭
সার্কুলার ডাউনলোড

প্রতিরক্ষা-মন্ত্রণালয়-১০৩জন-শিক্ষক-নেবে



আবেদনের যোগ্যতা

সহকারী শিক্ষক (জীববিজ্ঞান) পদে আবেদনের যোগ্যতা জীববিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক। বাণিজ্য বা ব্যবসায় শিক্ষায় স্নাতক হলে আবেদন করা যাবে ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের শিক্ষক হতে চাইলে কম্পিউটার বিজ্ঞান বা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক অথবা বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে তিন বছরের ডিপ্লোমা অথবা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক অথবা সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার বিষয়ে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ থাকলেও আবেদন করা যাবে। কৃষি বিষয়ে বিএসসি (কৃষি, কৃষি-অর্থনীতি, মত্স্য, পশুপালন, কৃষি প্রকৌশল, মৃত্তিকাবিজ্ঞান) অথবা ডিভিএম পাস হতে হবে। তিন বছর মেয়াদি কৃষি ডিপ্লোমা থাকলেও আবেদন করা যাবে। গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ে আবেদনের জন্য লাগবে ন্যূনতম জিপিএ ২.৫ বা সমমানের ফলসহ স্নাতক ডিগ্রি। স্নাতক পর্যন্ত গার্হস্থ্য অর্থনীতি বা গার্হস্থ্যবিজ্ঞান পাঠ্য থাকতে হবে।
শরীরচর্চা বিষয়ে লাগবে ন্যূনতম জিপিএ ২.৫ বা সমমানের ফলসহ স্নাতক ও বিপিএড ডিগ্রি। জুনিয়র শিক্ষক পদে কমপক্ষে জিপিএ ২.৫ বা সমমানের ফলসহ স্নাতক হতে হবে।

জুনিয়র শিক্ষক (ধর্ম) পদে আবেদনের যোগ্যতা জিপিএ ২.৫ বা সমমানসহ ফাজিল। জুনিয়র শিক্ষক (শরীরচর্চা) পদে ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ বা সমমানের স্নাতকসহ বিপিএড পাস হতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয় স্নাতক পর্যন্ত পাঠ্য থাকতে হবে। জুনিয়র শিক্ষক (চারু ও কারুকলা) পদে থাকতে হবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।

সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য এনটিআরসিএ নিবন্ধিত হতে হবে। সব পদে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা জিপিএ ২.৫-এর নিচে থাকা চলবে না। ১ জুলাই ২০১৭ তারিখে প্রার্থীর বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩২ বছর।

আবেদন যেভাবে
ওয়েবসাইটে (www.dmlc.gov.bd) পাওয়া যাবে চাকরির নির্ধারিত আবেদন ফরম। ফরম ডাউনলোড করে প্রয়োজনীয় সব তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে কোনো সনদপত্র জমা দিতে হবে না। সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য ৭০০ টাকা ও জুনিয়র শিক্ষক পদের জন্য ৫০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার যুক্ত করতে হবে। আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা—মহাপরিচালক, সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা-১২০৬।

পরীক্ষা পদ্ধতি

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড পরিচালিত স্কুলে কর্মরত শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়ে থাকে। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় ৭৫ নম্বর, মৌখিক ও বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষায় থাকে ২৫ নম্বর।

৭৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীর পাঠ্য বিষয়ে (বিষয়ভিত্তিক) ২৫ নম্বর থাকে। সাধারণ জ্ঞানে ২০ এবং বাংলা ও ইংরেজিতে থাকে ১৫ নম্বর করে। একই দিনে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়ে থাকে।

পরীক্ষার প্রস্তুতি
লিখিত পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে সাহিত্য ও ব্যাকরণ অংশ থেকে প্রশ্ন করা হয়। ইংরেজি বিষয়ে গ্রামার থেকে প্রশ্ন আসে। থাকতে পারে ট্রান্সলেশনও। নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্য থেকে প্রশ্ন করা হয়। নিজের পড়া বিষয়ে ভালো ধারণা থাকলে পরীক্ষায় ভালো করা যাবে। সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, দৈনন্দিন বিজ্ঞান থেকে প্রশ্ন করা হয়। বাজারে বেশ কিছু প্রকাশনীর প্রস্তুতিমূলক বই পাওয়া যায়। বিগত বছরের শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নপত্রসমাধান করলে কাজে দেবে।

বেতন-ভাতা
সহকারী শিক্ষক পদে বিএড কোর্স করা থাকলে ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা স্কেলে, বিএড ব্যতীত ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা স্কেলে বেতন পাওয়া যাবে। জুনিয়র শিক্ষক পদে বেতন পাবেন ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা স্কেলে। সঙ্গে থাকবে কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড সুবিধা।


SHARE THIS
Previous Post
Next Post